স্মরণ রেখো যে, মানুষের কোন ক্ষমতা নেই যে, মানুষ খোদা তা’লার সকল সুক্ষ থেকে সূক্ষ্ম কার্য সম্পর্কে অবহিত হয়, বরং খোদাতালার কাজ তো সবই মানবীয় বুদ্ধি এবং চিন্তা এবং কল্পনারও বহু ঊর্ধ্বে। মানুষের তো এতোটুকু জ্ঞানের বড়াই করা উচিত নয় যে, সে কার্যকরণ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতার একটি সীমা পর্যন্ত জেনে ফেলেছে। কেননা, মানুষের এই জ্ঞান তো নিতান্তই সীমাবদ্ধ। এবং তা বড় জোর হতে পারে সমুদ্রের এক বিন্দু পানির কোটি ভাগের এক ভাগের সমান। (চশমা মারেফাত) আমাদের খোদা | Weekly podcast | আমাদের খোদা, পর্ব – ৭ |
আফসোস! ঐ মূর্খেরা জানেনা যে, জ্ঞানের শূন্যতা থেকে অস্তিত্ব শূন্যতা প্রমাণিত হয় না। এই ধরণের লোক এই জমানায় লাখো লাখো সংখ্যায় পাওয়া যাবে যারা নিজেদেরকে মনে করে যে, তারা খুব বুদ্ধিমানা, বড় ফিলোসফার, তারা তাই খোদাতাআলার অস্তিত্বকে সরাসরি অস্বীকার করে।
আমাদের খোদা | Weekly podcast | আমাদের খোদা, পর্ব – ৫ | মাওলানা সালেহ আহমেদ, প্রফেসর, জামেয়া আহমাদিয়া বাংলাদেশ |
ইসলামের খোদা হচ্ছে সেই খোদা যিনি কানুনে কুদরত বা প্রাকৃতিক নিয়মের আয়নায় ফিতরত বা স্বভাবের গ্রন্থে পরিদৃষ্ট হচ্ছেন।Weekly podcast | আমাদের খোদা, পর্ব – ৪ | মাওলানা সালেহ আহমেদ, প্রফেসর, জামেয়া আহমাদিয়া বাংলাদেশ |
ভূমন্ডল ও আকাশ মন্ডল, মানব ও প্রাণীকুল, প্রস্তর ও বৃক্ষরাজি, সকল আত্মা ও দেহ, সবই তার কৃপা ও কল্যাণরাজি থেকে অস্তিত্ব লাভ করেছে।আমাদের খোদা, পর্ব – ৪| মাওলানা সালেহ আহমেদ, প্রফেসর, জামেয়া আহমাদিয়া বাংলাদেশ |
আমাদের খোদাই আমাদের বেহেশত। আমাদের খোদাতেই আমাদের আনন্দ। আমাদের খোদা, পর্ব – ৩ | মাওলানা সালেহ আহমেদ, প্রফেসর, জামেয়া আহমাদিয়া বাংলাদেশ |
ফিলোসোফার বা দার্শনিকরা আসমান ও জমিনের উপর লক্ষ্য করে এবং বিশ্বজগতের সৃষ্টির সুন্দর শৃঙ্খলা, বিন্যাস এবং নিয়ন্ত্রণ অবলোকন করে শুধু এতোটুকুই বলতে পারেন যে একজন সৃষ্টিকর্তা থাকাই সম্ভব। কিন্তু আমি তাদের কেউ এর চাইতে অধিক উন্নতির স্তরে উন্নীত করেছি। এবং নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে বলছি যে খোদা বাস্তবিকই আছেন। -হজরত মির্জা গোলাম আহমদ (আ. )
“সেই যে সর্বোচ্চ অস্তিত্ত্ব যাঁর উপাসনার জন্য তামাম নবীগণকে প্রেরণ করা হয়েছিল, সে আমি-ই। আমি ই একমাত্র স্রষ্টা এবং অধিপতি, আমার কোনো শরীক নেই এবং আমি জন্মগ্রহণ ও মৃত্যুবরণ থেকে পবিত্র “