বাতির ওপারে


মহানবী (সা.)-কে সম্মান জানানোর বদলে যাওয়া ইতিহাস

সাঈফুল ইসলাম

রবিউল আউয়াল এলেই মুসলিম বিশ্বের বহু শহর যেন হঠাৎ বদলে যায়। কোথাও আলোকসজ্জা, কোথাও শোভাযাত্রা, কোথাও মিলাদ-মাহফিল, কোথাও সীরাত আলোচনা। কিন্তু শতাব্দী পেরিয়ে আজও একটি প্রশ্ন রয়ে গেছে—মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসার সর্বোত্তম প্রকাশ কোনটি: তাঁকে ঘিরে উৎসব, নাকি তাঁর জীবনকে নিজের জীবনের আদর্শে পরিণত করা?

রবিউল আউয়াল—ইসলামি বর্ষপঞ্জির একটি মাস। কিন্তু মুসলিম বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই মাসের আগমন কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা বদলায় না; বদলে দেয় শহরের চেহারাও।

ইন্দোনেশিয়ার জাভায় সেকাতেনের ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের সুর ভেসে আসে। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে মসজিদের মিনার আলোকিত হয়। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন শহরে বসে মিলাদ ও সীরাত মাহফিল। কোথাও শোভাযাত্রা, কোথাও দোয়া, কোথাও দরুদ ও নাতের আসর।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মস্মরণ মুসলিম সমাজে বহু শতাব্দী ধরে নানা রূপে পালিত হয়ে আসছে। সুন্নি ঐতিহ্যের বৃহৎ অংশে ১২ রবিউল আউয়াল এবং শিয়া ঐতিহ্যে ১৭ রবিউল আউয়াল বিশেষভাবে স্মরণীয়।

কিন্তু এই দৃশ্যমান উৎসবের আড়ালে রয়েছে আরও গভীর এক ইতিহাস—এবং তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইসলামী চিন্তার এক দীর্ঘ বিতর্ক।

নবীপ্রেমের প্রকৃত রূপ কী?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হয় ইসলামের প্রথম শতাব্দীগুলোতে।

যে সময়ে ছিল না কোনো জনসমুদ্র

ইসলামের প্রথম তিন শতাব্দীতে মহানবী (সা.)-এর জন্ম উপলক্ষে আজকের মতো কোনো সর্বজনীন, প্রাতিষ্ঠানিক উৎসবের প্রচলন ছিল না।

তখন নবীপ্রেম প্রকাশ পেত অন্যভাবে—তাঁর সুন্নাহ অনুসরণে, ইবাদতে, দরুদ পাঠে, তাঁর চরিত্র অনুকরণে এবং তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শকে জীবনের অংশ করে নেওয়ার মাধ্যমে।

মহানবী (সা.) সোমবার রোজা রাখার কারণ হিসেবে তাঁর জন্মের দিনের কথা উল্লেখ করেছিলেন। ফলে তাঁর জন্মের স্মরণে কৃতজ্ঞতা ও ইবাদতের একটি ব্যক্তিগত রূপ ইসলামের প্রাথমিক ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

সময়ের সঙ্গে মুসলিম সাম্রাজ্য বিস্তৃত হয়েছে, রাজনীতি জটিল হয়েছে, বিভিন্ন মতবাদ ও সম্প্রদায়ের উত্থান ঘটেছে। আর ধর্মীয় স্মরণও ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত সাধনার পরিসর পেরিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।

রাজদরবার থেকে জনসমাজে

মাওলিদের ইতিহাসে ফাতিমীয় যুগ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

দশম শতকে ফাতিমীয় শাসকেরা নবী (সা.) ও তাঁর আহলে বাইতের সদস্যদের স্মরণে আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান চালু করেছিল। এসব আয়োজনে ধর্মীয় আবেগের পাশাপাশি রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতারও স্পষ্ট উপস্থিতি ছিল।

পরবর্তী সময়ে দ্বাদশ শতকের শেষভাগে ইরবিলের শাসক মুজাফফর আল-দীন গোকবোরির সময় মাওলিদ আরও বৃহৎ জনসমাবেশের রূপ পায়। শোভাযাত্রা, মশাল, ভোজ ও জনসম্পৃক্ততা ধীরে ধীরে এই আয়োজনের পরিচিত বৈশিষ্ট্য হয়ে ওঠে।

এরপর উসমানি সাম্রাজ্যে ‘মেভলিদ কান্দিল’ একটি সুসংগঠিত ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে পরিণত হয়। মসজিদের মিনারে আলো, বিশেষ মেভলিদ পাঠ এবং জনসমাগম—সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক স্বতন্ত্র সামাজিক সংস্কৃতি।

অর্থাৎ আজকের মাওলিদ একদিনে তৈরি হয়নি। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ধর্মীয় অনুভূতি, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও জনজীবনের নানা উপাদান মিলেমিশে এর বহুমাত্রিক রূপ গড়ে উঠেছে।

এক হাজার বছরের পুরোনো বিতর্ক

এখানেই আসে ‘বিদআত’-এর প্রশ্ন।

ইসলামী পরিভাষায় বিদআত বলতে সাধারণভাবে ধর্মের মধ্যে এমন নতুন কিছু সংযোজন বোঝানো হয়, যার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি ইসলামের প্রাথমিক যুগে পাওয়া যায় না।

মাওলিদ যেহেতু প্রথম যুগে একটি আনুষ্ঠানিক ধর্মীয় উৎসব হিসেবে প্রচলিত ছিল না, তাই একদল আলেম এর বৈধতা নিয়ে আপত্তি তুলেছেন।

তাঁদের যুক্তি সরল—রাসুলুল্লাহ (সা.), সাহাবায়ে কেরাম এবং প্রথম যুগের নেককার মুসলমানেরা যদি এটিকে নিয়মিত ধর্মীয় উৎসব হিসেবে পালন না করে থাকেন, তাহলে পরবর্তী যুগে এটিকে একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পরিণত করার ভিত্তি কোথায়?

অন্যদিকে আরেক দল আলেমের যুক্তি ছিল ভিন্ন।

তাঁদের মতে, কোনো সমাবেশে যদি কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ, সীরাত আলোচনা, দান-সদকা ও নেক আমলের শিক্ষা থাকে, তাহলে এসব কাজ নিজেই প্রশংসনীয়। সুতরাং এমন একটি সমাবেশকে নিছক ‘ধর্মীয় উদ্ভাবন’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজন নেই।

ইবনে হাজার আল-আসকালানি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের প্রসঙ্গে আশুরার রোজার দৃষ্টান্ত ব্যবহার করেছেন। ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতিও নবীজির জন্ম ও কৃতজ্ঞতার বিষয়টি আলোচনায় এনেছেন।

অন্যদিকে ফাকিহানি প্রমুখ আলেমের আপত্তি ছিল—ভালো কাজ করা এবং কোনো একটি নির্দিষ্ট দিনকে ধর্মীয়ভাবে বিশেষায়িত করা এক বিষয় নয়।

এই বিতর্ক আজও মুসলিম সমাজে বিদ্যমান।

যখন প্রশ্নটি নতুন হয়ে উঠল

বিশ শতকে এসে পরিস্থিতি আরও বদলে গেল।

ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে ইসলাম নিয়ে তীব্র বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্ক শুরু হয়। খ্রিস্টান মিশনারি, আর্য সমাজ এবং অন্যান্য মতাদর্শের পক্ষ থেকে মহানবী (সা.)-এর ব্যক্তিত্ব ও জীবন নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ উত্থাপিত হতে থাকে।

তখন একটি নতুন প্রশ্ন সামনে আসে:

শুধু আবেগ দিয়ে কি মহানবী (সা.)-এর শ্রেষ্ঠত্বকে আধুনিক বিশ্বের সামনে তুলে ধরা সম্ভব?

আহমদিয়া মুসলিম জামাতের দ্বিতীয় খলিফা হযরত মির্জা বশীরুদ্দীন মাহমুদ আহমদ (রা.) এই প্রশ্নের একটি ভিন্ন উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেন।

১৯২৮ সাল থেকে তিনি সীরাতুন্নবী (সা.)-কে কেন্দ্র করে এমন এক বুদ্ধিবৃত্তিক ও শিক্ষামূলক ধারার ওপর জোর দেন, যেখানে শুধু জন্মের ঘটনা নয়, বরং মহানবী (সা.)-এর সমগ্র জীবন, চরিত্র ও আদর্শ আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে।

অর্থাৎ লক্ষ্য ছিল—অনুষ্ঠানকে শুধু আবেগের প্রকাশ না রেখে জ্ঞান, যুক্তি ও চরিত্রগঠনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা।

‘মিলাদ’ থেকে ‘সীরাত’

এখানে দুটি প্রবণতার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য দেখা যায়।

একটি হলো অনুষ্ঠানকেন্দ্রিক নবীস্মরণ—যেখানে নির্দিষ্ট সময়ে মানুষ সমবেত হয়, আলোকসজ্জা হয়, নাত ও বক্তৃতা হয়, আবেগ প্রকাশ পায়।

অন্যটি হলো সীরাতকেন্দ্রিক নবীস্মরণ—যেখানে প্রশ্ন করা হয়, মহানবী (সা.) কীভাবে জীবনযাপন করেছিলেন এবং তাঁর সেই জীবন থেকে আমরা কী শিখছি।

তিনি কীভাবে শত্রুকে ক্ষমা করতেন?

কীভাবে এতিমের পাশে দাঁড়াতেন?

কীভাবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতেন?

কীভাবে ভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের সঙ্গে আচরণ করতেন?

ক্ষমতা হাতে পাওয়ার পরও কীভাবে বিনয়ী থাকতেন?

পরিবারের সদস্যদের প্রতি তাঁর আচরণ কেমন ছিল?

আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—

আমরা তাঁর জীবনের কোন গুণটি নিজেদের জীবনে গ্রহণ করেছি?

এখানেই স্মরণ আর আত্মশুদ্ধির মধ্যে পার্থক্য তৈরি হয়।

ভালোবাসার সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা

মহানবী (সা.)-এর প্রশংসা করা সহজ। তাঁর চরিত্র অনুসরণ করা কঠিন।

দরুদ পড়া সহজ; কিন্তু ক্রোধের মুহূর্তে ক্ষমা করা কঠিন।

তাঁর জীবনের কথা বলা সহজ; কিন্তু নিজের জীবনে সত্যবাদিতা প্রতিষ্ঠা করা কঠিন।

তাঁর জন্মদিনে আনন্দ করা সহজ; কিন্তু অসহায় প্রতিবেশীর পাশে দাঁড়ানো কঠিন।

সীরাত শুনে আবেগাপ্লুত হওয়া সহজ; কিন্তু নিজের অহংকারকে পরাজিত করা কঠিন।

তাই নবীপ্রেমের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ হয়তো মুখের উচ্চারণে নয়, মানুষের আচরণে।

কোরআন মহানবী (সা.)-কে ‘উসওয়ায়ে হাসানা’—উত্তম আদর্শ—হিসেবে উপস্থাপন করেছে। ফলে তাঁকে ভালোবাসার অর্থ শুধু তাঁকে স্মরণ করা নয়; বরং তাঁর আদর্শকে নিজের জীবনের মানদণ্ডে পরিণত করা।

আজকের পৃথিবীতে মহানবীর বার্তা

আজকের পৃথিবী নানা বিভাজনে ক্লান্ত।

ধর্ম, জাতীয়তা, রাজনীতি, বর্ণ ও সংস্কৃতির পার্থক্য মানুষকে একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।

এই বাস্তবতায় মহানবী (সা.)-এর জীবনকে যদি শুধু একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের আবেগের বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, তাহলে তাঁর মানবিক ও সর্বজনীন বার্তার একটি বড় অংশ অপ্রকাশিত থেকে যেতে পারে।

কিন্তু তাঁর ন্যায়বিচার, ক্ষমাশীলতা, দয়া, সত্যবাদিতা, প্রতিবেশীর অধিকার, এতিমের প্রতি মমতা, দরিদ্রের প্রতি সহানুভূতি এবং ভিন্ন ধর্মের মানুষের সঙ্গে তাঁর আচরণ সামনে আনলে তাঁর জীবন হয়ে উঠতে পারে মানবতার জন্য একটি সেতু।

এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই সীরাতুন্নবী (সা.)-এর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অমুসলিম অতিথি, ধর্মীয় নেতা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণের একটি ঐতিহ্য গড়ে উঠেছে।

নবীজির জীবন তখন শুধু মুসলমানদের অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয় থাকে না; হয়ে ওঠে মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে সংলাপের একটি সুযোগ।

আলো থাকবে—তবে আলোটি কোথায়?

মহানবী (সা.)-কে স্মরণ করতে গিয়ে আলোকসজ্জা করা হবে কি হবে না—এ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কোথাও এটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, কোথাও আবেগের প্রকাশ, আবার কোথাও ধর্মীয় রীতির অংশ।

কিন্তু এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন আছে:

বাইরের আলো নিভে যাওয়ার পর ভেতরের আলোটি কি জ্বলবে?

একটি মাওলিদ যদি মানুষকে নামাজে ফিরিয়ে আনে, দরুদে অভ্যস্ত করে, মিথ্যা থেকে দূরে রাখে, দরিদ্রের পাশে দাঁড়াতে শেখায় এবং মানুষের প্রতি দয়া বাড়ায়—তবে তার তাৎপর্য নিঃসন্দেহে গভীর।

কিন্তু যদি অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবনও আগের অবস্থায় ফিরে যায়, তাহলে আমাদের নিজেদের কাছেই প্রশ্ন রাখতে হয়—

আমরা কি সত্যিই নবীজিকে স্মরণ করেছি, নাকি শুধু একটি অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছি?

আহমদিয়া মুসলিম জামাতের পঞ্চম খলিফা হযরত মির্জা মসরূর আহমদ (আ.)-এর বক্তব্যেও নবীপ্রেমকে ভারসাম্যপূর্ণভাবে প্রকাশ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে—অপচয় ও অতিরঞ্জন থেকে দূরে থেকে মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা এবং সেই ভালোবাসাকে তাঁর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে জীবন্ত করে তোলা।

বাতির ওপারে যে আলো

রবিউল আউয়ালের উৎসব একদিন শেষ হবে।

আলোকসজ্জা খুলে ফেলা হবে। শোভাযাত্রা থেমে যাবে। মাইকের শব্দ স্তব্ধ হবে। মিষ্টির বাক্স খালি হবে।

কিন্তু মহানবী (সা.)-এর জীবনের আলো তখনও জ্বলতে থাকবে।

সেই আলো দেখা যাবে একজন সত্যবাদী ব্যবসায়ীর আচরণে।

একজন ক্ষমাশীল মানুষের হৃদয়ে।

একজন ন্যায়পরায়ণ মানুষের সিদ্ধান্তে।

একজন স্নেহশীল পিতার ব্যবহারে।

একজন প্রতিবেশীর প্রতি ভালোবাসায়।

একজন অসহায় মানুষের পাশে বাড়িয়ে দেওয়া হাতে।

তাই মহানবী (সা.)-কে সম্মান জানানোর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়তো এটি নয়—

আমরা তাঁর জন্মস্মরণে কত বড় আয়োজন করেছি?

বরং প্রশ্নটি হওয়া উচিত—

তাঁর জন্মের আলো আমাদের জীবনে কতটা প্রবেশ করেছে?

হয়তো এখানেই মাওলিদের দীর্ঘ ইতিহাসের সবচেয়ে গভীর শিক্ষা।

বাতি জ্বালানো সুন্দর। কিন্তু তার চেয়েও সুন্দর হলো—নিজের চরিত্রকে এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে অন্যের অন্ধকারেও আমরা নিজেরাই একটি আলো হয়ে উঠতে পারি।

কারণ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি সত্যিকারের ভালোবাসা কোনো একটি মাসের অনুষ্ঠান নয়।

এটি প্রতিদিনের সাধনা।

দরুদে হৃদয় জাগুক, সীরাতে জ্ঞান জাগুক, আর সুন্নাহর অনুসরণে চরিত্র বদলে যাক।

তবেই নবীপ্রেম উৎসবের সীমানা পেরিয়ে জীবনের আলো হয়ে উঠবে।

Leave a Comment